লকডাউনে স্বস্তি অনলাইনে

করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় কার্যত লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। ৫ এপ্রিল থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশে গণপরিবহন চলাচল বন্ধ, অফিস আদালতে সীমিত কর্মীর মাধ্যমে কার্যক্রম চালু রাখাসহ বিভিন্ন নির্দেশনা দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

নির্দেশনা অনুযায়ী, সীমিত এই কার্যক্রমের মধ্যেও চালু থাকবে ইন্টারনেট বা টেলিসেবা এবং অনলাইনে কেনাকাটাসহ সব প্রকার অনলাইন কার্যক্রম।

সম্পূর্ণ নির্দেশনা পাওয়া যাবে এই লিঙ্কে ক্লিক করে

নির্দেশনার ‘খ’ নম্বর ক্রমিকে টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক সেবাকে জরুরি সেবা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী এই সেবা সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এই নিষেধাজ্ঞার আওতা বহির্ভূত থাকবে বা সড়কে চলাচল করতে পারবে।

আইএসপিএবির সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক জানান ইন্টারনেট সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে জরুরি সেবা হিসেবে অন্তর্ভূক্তির বিষয়সহ বিভিন্ন দিক নির্দেশনামূলক মেইল পাঠানো হয়েছে আইএসপিএবির সদস্যদের কাছে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা আসার পর টেলিযােগাযােগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্র বহনে নির্দেশনা দিয়েছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি।

করোনার বর্তমান পরিস্থিতির কারণে ৫ এপ্রিল ভোর থেকে পরবর্তী ৭দিন শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে খাবারের দোকান ও হােটেল-রেস্তোরাঁ বসে খাবার গ্রহণে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। তবে এসব সেবা প্রদানকারী অনলাইন প্রতিষ্ঠান স্বাস্থ্যবিধি মেনে কার্যক্রম চালাতে পারবে। নির্দেশনার ‘ঙ’ এবং ‘চ’ নম্বর ক্রমিক নম্বরে এসব তথ্য জানানো হয়।

লকডাউনের সময় অনলাইন কেনাকাটা গ্রামের প্রতন্ত অঞ্চল পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়া, ই-কমার্স উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণসহ বেশ কিছু প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান ই কমার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইক্যাব) এর সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মাদ আব্দুল ওয়াহেদ তমাল।