দেশজুড়ে ১৪৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১০ এমবি ইন্টারনেট চালু

দেশের ১৪৬টি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে একযোগে ১০ মেগাবাইট গতিসম্পন্ন ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক চালু করা হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো দুই বছর বিনামূল্যে ওয়াইফাই ব্যবহার করবে। এরপর তাদের জন্য ফি ধার্য করা হবে।

২০১৮ সালে ডাক ও টেলিযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার দায়িত্ব গ্রহণের পর গৃহীত ‘ইনস্টলেশন অব অপটিক্যাল ফাইভার ক্যাবল নেটওয়ার্ক অ্যাট গভর্মেন্ট কলেজ, ইউনিভার্সিটি অ্যান্ড ট্রেনিং ইনস্টিটিউট’ শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে এই সুবধিা বাস্তবায়ন করেছে  ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অধীন বিটিসিএল।

রবিবার (১২ জানুয়ারি) সচিবালয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এই ইন্টারনেট সেবার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের সভাপতিত্বে এসময় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো. নূর-উর-রহমান, বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হয়েছেন ড. মোঃ রফিকুল মতিন, ফ্রি ওয়াই ফাই প্রকল্পের পরিচালক আমিনুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা গত ১০ বছরে ১০ কোটি মানুষকে অনলাইনে এনেছি। আমাদের তরুণদের যে দাবি সব জায়গা তাদের ওয়াইফাই করে দেয়া, সেটা কিন্তু আমাদের আওয়ামী লীগ সরকার করে যাচ্ছে। এই প্রকল্প হলো সেটারই অংশ। সরকারি সব বিশ্ববিদ্যালয়ে টেলিযোগাযোগ বিভাগ ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ওয়াইফাই জোন করে দিচ্ছে। এই কাজ চলমান থাকবে। সারাদেশেই আমরা ইন্টারনেট আনছি, ইউনিয়ন পর্যন্ত আমরা ফাইবার নিয়ে যাচ্ছি।’

‘আমার স্বপ্ন হচ্ছে দেশের ১৬ কোটি মানুষকেই আমরা অনলাইনে আনব। এটা হচ্ছে আমাদের ওয়াদা’, যোগ করেন তিনি।

প্রসঙ্গত, ‘ইনস্টলেশন অব অপটিক্যাল ফাইভার ক্যাবল নেটওয়ার্ক অ্যাট গভর্মেন্ট কলেজ, ইউনিভার্সিটি অ্যান্ড ট্রেনিং ইনস্টিটিউট’ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ৫৬৭টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ওয়াইফাইয়ের মাধ্যমে ব্রডব্যান্ড (উচ্চগতি) ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১৪৩, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৫, চট্টগ্রাম বিভাগে ১০৭, বরিশাল বিভাগে ৪৫, খুলনা বিভাগে ৮৩, রাজশাহী বিভাগে ৮৫, রংপুর বিভাগে ৫৬ ও সিলেট বিভাগের ৩৩টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

পর্যায়ক্রমে বেসরকারি কলেজ ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং এরপর স্কুলসহ অন্য সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও ওয়াইফাই চালু করা হবে।